
সংক্ষেপে
এখন পাসপোর্ট দেওয়া হয় অনলাইনে যাচাই করা NID-র তথ্যে। ১৮ বছরের কম বয়সী আর প্রবাসীদের নতুন আবেদনে যাচাই হয় অনলাইন জন্ম নিবন্ধন দিয়ে। আবেদন আইডি, NID আর ঠিকানার প্রমাণ হাতের কাছে রাখুন। যে মোবাইল নম্বরে আপনাকে পাওয়া যাবে, সেটিও চালু রাখুন।
এই লেখায়
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগ ২০২৫ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি পরিপত্র জারি করে পাসপোর্টে পুলিশ ভেরিফিকেশন তুলে দিয়েছে, আদেশটি সেদিন থেকেই কার্যকর। নতুন আবেদনে অনলাইনে যাচাই করা NID, প্রবাসী ও অপ্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে জন্ম নিবন্ধন, আর রি-ইস্যুতে তথ্য বদলালে NID-র তথ্য দিয়ে পাসপোর্ট দেওয়া হয়। ২০২৬ সালের অক্টোবরে খবর এসেছে, রোহিঙ্গাদের ভুয়া NID দিয়ে পাসপোর্ট নেওয়া ঠেকাতে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার এলাকায় আলাদা করে পুলিশ ভেরিফিকেশন চালুর কথা সরকার ভাবছে, তবে এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি। আপনার আবেদনে Police Clearance স্ট্যাটাস দেখালে আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস বা হেল্পলাইন ১৬৪৪৫ থেকে খোঁজ নিন।
বর্তমান আর স্থায়ী ঠিকানা আলাদা হলে
আবেদন জমা দিতে হয় বর্তমান ঠিকানার পাসপোর্ট অফিসে। দুই ঠিকানাই স্পষ্ট করে লিখুন, আর স্থায়ী ঠিকানা NID-তে যেভাবে আছে সেভাবেই দিন। ভাড়া বাসা, মেস, কর্মস্থল বা স্থায়ী বাড়ি, যেটাই হোক, ঠিকানা স্পষ্ট করে লিখুন।
যে কাগজগুলো হাতের কাছে রাখবেন
আঙুলের ছাপ দেওয়ার দিন মূল NID বা অনলাইন জন্ম নিবন্ধন সনদ, রি-ইস্যু হলে পুরোনো পাসপোর্ট, আর প্রযোজ্য ক্ষেত্রে টেকনিক্যাল সনদ, GO বা NOC সঙ্গে রাখুন। সব কাগজে নাম আর ঠিকানা যত মিলবে, যাচাই তত সহজে মেটে।
পেশা আর কর্মস্থলের প্রমাণ
ব্যবসায়ী, চাকরিজীবী, ছাত্র, বা বিদেশ যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন, প্রত্যেকের কাগজ আলাদা হতে পারে। ফরমে যে পেশা লিখেছেন, তার প্রমাণ সঙ্গে রাখুন। পেশা ভুল লেখা হয়ে থাকলে পাসপোর্ট অফিসে গিয়ে জেনে নিন কীভাবে ঠিক করবেন।
যেসব কারণে এখন আবেদন আটকে যায়
NID আর আবেদনে নাম বা জন্মতারিখের বানান না মেলা, পুরোনো পাসপোর্টের সঙ্গে তথ্যের অমিল, বা GO/NOC দপ্তরের ওয়েবসাইটে না থাকা, এসব কারণেই এখন আবেদন বেশি আটকায়। পাসপোর্ট অফিস কোনো কাগজ চাইলে দেরি না করে মূল কপিসহ জমা দিন।
আরও পড়ুন
দরকারি সরকারি লিংক
ফি, সময়সীমা আর নিয়ম বদলাতে পারে। আবেদনের আগে সংশ্লিষ্ট সরকারি পোর্টালে শেষবার মিলিয়ে নিন।