ই-পাসপোর্ট

অনলাইনে নতুন ই-পাসপোর্টের আবেদন: অ্যাকাউন্ট খোলা থেকে পাসপোর্ট হাতে পাওয়া

নাগরিক সেবা সম্পাদনা দলপড়তে ৮ মিনিট

হালনাগাদ: ১৬ অক্টোবর ২০২৬পাসপোর্ট হেল্পলাইন ১৬৪৪৫epassport.gov.bd

সংক্ষেপে

নতুন ই-পাসপোর্টের আবেদন শুরু হয় সরকারি পোর্টালে। ইমেইল দিয়ে অ্যাকাউন্ট খুলে ফরম পূরণ করবেন, এনরোলমেন্টের তারিখ বেছে নেবেন, তারপর অনলাইনে বা ব্যাংকে এ-চালানের মাধ্যমে ফি দেবেন। নির্ধারিত দিনে বর্তমান ঠিকানার আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে গিয়ে ছবি, আঙুলের ছাপ আর আইরিশ দিলে হাতে পাবেন ডেলিভারি স্লিপ।

বয়স ২০ বছরের বেশি হলে NID লাগবেই, ১৮ বছরের কম হলে অনলাইন জন্ম নিবন্ধন সনদ (ইংরেজি) আর বাবা বা মায়ের NID নম্বর। আগে কখনো পাসপোর্ট করে থাকলে তার তথ্য দিতেই হবে। ফরমে কোনো কাগজ সত্যায়ন করা বা ছবি লাগানোর দরকার নেই।

সরকারি ই-পাসপোর্ট পোর্টাল

অ্যাকাউন্ট খোলা, ফরম পূরণ আর অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেওয়া হয় এই পোর্টালে।

আবেদন শুরু করুন
এই লেখায়
  1. আবেদন শুরুর আগে যা গুছিয়ে রাখবেন
  2. পোর্টালে অ্যাকাউন্ট খুলবেন যেভাবে
  3. ফরম পূরণ: যে ঘরগুলোতে ভুল বেশি হয়
  4. অ্যাপয়েন্টমেন্ট আর ফি জমা
  5. এনরোলমেন্টের দিন সঙ্গে যা নেবেন
  6. ডেলিভারি, এসএমএস আর পাসপোর্ট হাতে নেওয়া
  7. অনেকে যা জানতে চান

১. আবেদন শুরুর আগে যা গুছিয়ে রাখবেন

ফরমে নাম, জন্ম তারিখ আর বাবা-মায়ের নাম লিখতে হয় NID বা অনলাইন জন্ম নিবন্ধন সনদ দেখে। কোন কাগজ অনুযায়ী আবেদন করবেন, তা ঠিক হয় বয়সের ওপর।

আবেদনকারীর বয়সযে কাগজ অনুযায়ী আবেদনবাড়তি যা জানা দরকার
১৮ বছরের কমঅনলাইন জন্ম নিবন্ধন সনদ (ইংরেজি সংস্করণ)বাবা বা মায়ের NID নম্বর ফরমে দিতে হয়। পাসপোর্ট হবে ৫ বছর মেয়াদি, ৪৮ পৃষ্ঠার।
১৮ থেকে ২০ বছরNID অথবা অনলাইন জন্ম নিবন্ধন সনদদুটির যেকোনো একটি দিয়ে আবেদন করা যায়।
২০ বছরের বেশিNID বাধ্যতামূলকদেশে জন্ম নিবন্ধন দিয়ে হবে না। বিদেশের বাংলাদেশ মিশনে আবেদন করলে জন্ম নিবন্ধন চলে।

এর বাইরে হাতের কাছে রাখুন:

  • চালু একটি ইমেইল ঠিকানা। ইমেইল ছাড়া অনলাইনে আবেদন করা যায় না, না থাকলে আগে একটা খুলে নিন।
  • যে মোবাইল নম্বরে আবেদনের খবর এসএমএসে পেতে চান।
  • আগের পাসপোর্ট থাকলে, তা হাতে লেখা হোক, MRP হোক বা ই-পাসপোর্ট, তার নম্বর, ইস্যু আর মেয়াদ শেষের তারিখ।
  • সরকারি চাকরিজীবী হলে অফিসের সরকারি আদেশ (GO) বা অনাপত্তি সনদ (NOC)। এটি ইস্যুকারী দপ্তরের ওয়েবসাইটে আপলোড থাকতে হয়। অবসরপ্রাপ্ত হলে PRL আদেশ বা পেনশন বই।
  • ডাক্তার, প্রকৌশলী বা চালকের মতো পেশা লিখলে সেই পেশার সনদ।

২. পোর্টালে অ্যাকাউন্ট খুলবেন যেভাবে

ই-পাসপোর্ট পোর্টালের প্রথম পাতা থেকে অনলাইন আবেদনে গেলে চার ধাপে অ্যাকাউন্ট খোলা হয়। পোর্টাল বাংলাতেও দেখা যায়। নিচে বোতাম আর ঘরের নাম ইংরেজিতে দিলাম, ইংরেজি সংস্করণে যেভাবে লেখা থাকে।

  • ১
    পাসপোর্ট অফিস ঠিক করাপ্রথমে জানতে চাওয়া হবে আপনি বাংলাদেশ থেকে আবেদন করছেন কি না। এরপর বর্তমান ঠিকানার জেলা আর সবচেয়ে কাছের থানা বাছুন। পোর্টাল নিজেই দেখিয়ে দেবে কোন আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে আপনার এনরোলমেন্ট হবে।
  • ২
    ইমেইল ঠিকানা দেওয়াদ্বিতীয় ধাপে ইমেইল ঠিকানা লিখুন। পোর্টাল ঠিকানায় শুধু ছোট হাতের অক্ষর নেয়, তাই কোনো বড় হাতের অক্ষর থাকলে ছোট করে লিখুন।
  • ৩
    অ্যাকাউন্টের তথ্যতৃতীয় ধাপে নাম, মোবাইল নম্বর আর পাসওয়ার্ড দিন। পাসওয়ার্ডে অন্তত একটি ছোট হাতের অক্ষর, একটি বড় হাতের অক্ষর, একটি সংখ্যা আর একটি চিহ্ন রাখতে হয়। এরপর Create Account চাপুন।
  • ৪
    ইমেইলের লিংকে অ্যাকাউন্ট চালুআপনার ইমেইলে একটি অ্যাক্টিভেশন লিংক যাবে। সেটিতে ক্লিক করলে অ্যাকাউন্ট চালু হবে, তারপর Sign In করে Apply for a new e-Passport চাপুন। মেইল না পেলে স্প্যাম ফোল্ডার দেখুন। তাতেও না পেলে বা লিংকের মেয়াদ ফুরিয়ে গেলে Resend চেপে নতুন লিংক নিন।
অফিস নিজে বাছা যায় না

কোন অফিসে আবেদন জমা হবে, তা ঠিক হয় বর্তমান ঠিকানা দেখে। আগের পাসপোর্টের ঠিকানা বদলে গেলে নতুন বর্তমান ঠিকানাই লিখুন। পোর্টাল যে অফিস দেখাবে, আবেদন শুধু সেখানেই করা যাবে।

৩. ফরম পূরণ: যে ঘরগুলোতে ভুল বেশি হয়

ফরমটি কয়েকটি অংশে ভাগ করা। প্রতিটি অংশ শেষে Save and continue চাপলে তথ্য জমা থাকে, চাইলে পরে এসে বাকিটা পূরণ করা যায়। তবে অসম্পূর্ণ আবেদন বেশি দিন ফেলে রাখলে মেয়াদ পেরিয়ে বাতিল হয়ে যেতে পারে। আরেকটি কথা, একই NID বা জন্ম নিবন্ধন নম্বরে একটি আবেদন প্রক্রিয়াধীন থাকলে দ্বিতীয়টি জমা দেওয়া যায় না।

ফরমের অংশকী খেয়াল রাখবেন
Passport Typeসাধারণ আবেদনকারী Ordinary Passport বাছবেন। Official Passport শুধু GO বা NOC আছে এমন নির্দিষ্ট সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য, প্রথমবার অফিসিয়াল পাসপোর্ট নিতে GO লাগে।
Personal Information: নামনাম Given name আর Surname এ ভাগ করে লিখুন। যেমন Md Abu Bakar হলে Given name এ Md Abu, Surname এ Bakar লেখা যায়। এক শব্দের নাম হলে পুরোটা Surname এ যাবে, Given name ফাঁকা থাকবে। বানান হুবহু NID বা জন্ম নিবন্ধনের মতো রাখুন।
জন্ম তারিখ ও পেশাজন্ম তারিখ NID বা সনদের সঙ্গে মিলিয়ে দিন। পেশার ঘরে যা সত্যি, তাই বাছুন। সরকারি চাকরি করলে তা গোপন করবেন না।
NID বা জন্ম নিবন্ধন নম্বরNID ১০, ১৩ বা ১৭ অঙ্কের হয়, জন্ম নিবন্ধন নম্বর ১৭ অঙ্কের। নম্বর দিলে পোর্টাল সার্ভারের তথ্যের সঙ্গে মিলিয়ে একটি Data Comparison ছক দেখায়। গরমিল থাকলেও এগোনো যায়, তবে এনরোলমেন্টের দিন আপনার দেওয়া তথ্যের পক্ষে মূল কাগজ দেখাতে হবে।
Addressস্থায়ী আর বর্তমান ঠিকানা আলাদা হলে দুটোই লিখুন, একই হলে Present address is the same as Permanent ঘরে টিক দিন। পোস্ট কোড জেলার সঙ্গে না মিললে পোর্টাল ভুল দেখাবে।
ID Documents: আগের পাসপোর্টDo you have any previous passports? প্রশ্নে হাতে লেখা, MRP বা ই-পাসপোর্ট, যেটা ছিল সেটি বাছুন। মেয়াদ ফুরিয়ে গেলেও বা হারিয়ে গেলেও তথ্য দিন। পোর্টালের প্রশ্নোত্তরেই বলা আছে, আগের পাসপোর্টের তথ্য ছাড়া নতুন পাসপোর্ট দেওয়া যায় না।
Parental Informationবাবা-মায়ের নাম তাঁদের NID বা জন্ম নিবন্ধন অনুযায়ী লিখুন। আবেদনকারী ১৮ বছরের কম হলে বাবা বা মায়ের NID নম্বর দিতেই হবে।
Passport Optionsপৃষ্ঠা (৪৮ বা ৬৪) আর মেয়াদ (৫ বা ১০ বছর) বাছুন। ১৮ বছরের কম বয়সীদের জন্য শুধু ৫ বছর মেয়াদি, ৪৮ পৃষ্ঠার পাসপোর্ট।
Delivery Options & AppointmentRegular, Express বা Super Express বাছুন। এই অংশেই এনরোলমেন্টের তারিখ আর সময় ঠিক করা হয়।
পেমেন্টে যাওয়ার আগে শেষবার দেখে নিন

সব অংশ শেষে একটি Overview পাতা আসে। সেখানে Confirm and proceed to payment চাপলে আবেদন পাসপোর্ট অফিসে জমা হয়ে যায়, এরপর অনলাইনে আর কিছু বদলানো যায় না। পরে ভুল চোখে পড়লে অফিসে গিয়ে প্রমাণের কাগজ দেখিয়ে ঠিক করাতে হয়।

৪. অ্যাপয়েন্টমেন্ট আর ফি জমা

পোর্টালের নির্দেশনা অনুযায়ী এনরোলমেন্টে যাওয়ার আগে অনলাইনে অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিতে হয়। কোনো অফিসে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ছাড়াই আবেদন নেওয়া হলে পোর্টাল নিজেই তা জানিয়ে দেয়।

  • খালি স্লট থেকে তারিখ আর সময় বাছুন। স্লট বাছার পর নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আবেদন জমা না দিলে স্লটটি ছেড়ে যায়, তখন আবার সময় বাছতে হয়।
  • কাছাকাছি তারিখে স্লট না পেলে কয়েক দিন পর আবার দেখুন, নতুন স্লট খোলে।
  • পরিবারের কয়েকজন একসঙ্গে যেতে চাইলে Group appointment নিতে পারেন। এক গ্রুপে সর্বোচ্চ ৪টি আবেদন রাখা যায়, সবগুলোর ডেলিভারির ধরন এক হতে হবে।
  • তারিখ বদলানো বা বাতিল করা যায় My applications থেকে, তবে কতবার বদলানো যাবে তার সীমা আছে। একটি আবেদনের অ্যাপয়েন্টমেন্ট বাতিল করলে একই অ্যাকাউন্টের সব অ্যাপয়েন্টমেন্ট বাতিল হয়ে যায়।

আবেদন জমা হলে Application Summary পাতায় পেমেন্টের দুটি পথ দেখায়। ফি নির্ভর করে পৃষ্ঠা, মেয়াদ আর ডেলিভারির ধরনের ওপর। যেমন ৪৮ পৃষ্ঠা, ৫ বছর মেয়াদ আর Regular ডেলিভারির ফি ভ্যাটসহ ৪,০২৫ টাকা। বাকি ধরনগুলোর ফি আমাদের পাসপোর্ট ফি নিয়ে লেখা আর ফি হিসাবের টুলে পাবেন।

  • ১
    অনলাইনে ফি দিতে চাইলেOnline payment বাছলে আপনাকে চালানের পেমেন্ট পাতায় নিয়ে যাওয়া হবে। অধিদপ্তরের ফি পাতায় A-Challan, DGePay আর ShurjoPay এর কথা আছে। কার্ড, বিকাশ, নগদ, রকেট, উপায়সহ কয়েকটি মোবাইল ওয়ালেট আর কিছু ব্যাংকের অনলাইন ব্যাংকিং দিয়ে টাকা দেওয়া যায়। শুরুর আগে ব্রাউজারের পপ-আপ ব্লকার বন্ধ রাখুন।
  • ২
    ব্যাংকে জমা দিতে চাইলেOffline payment বাছুন। দেশের যেকোনো সরকারি বা বেসরকারি ব্যাংকে এ-চালানের মাধ্যমে ফি জমা দেওয়া যায়। জমার স্লিপ যত্নে রাখুন, এনরোলমেন্টের দিন এটি সঙ্গে নিতে হয়।
  • ৩
    আবেদনের কপি প্রিন্টDownload Application Form for Printing আর Print Summary থেকে আবেদনের কপি আর সামারি প্রিন্ট করে নিন। সামারিতে আপনার Online Registration ID (OID) লেখা থাকে, স্ট্যাটাস দেখতে এটি কাজে লাগে।
সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য

ব্যক্তিগত কাজে বিদেশ যেতে GO বা NOC থাকলে Regular ফি দিয়ে Express সেবা আর Express ফি দিয়ে Super Express সেবা পাওয়া যায়। অধিদপ্তরের ফি পাতায় PRL এ থাকা কর্মচারীদের জন্যও একই সুবিধার কথা আছে। ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরিপত্রে GO ও NOC এর নিয়ম নতুন করে বলা হয়েছে, অধিদপ্তরের নোটিশ পাতায় সেটি আছে।

৫. এনরোলমেন্টের দিন সঙ্গে যা নেবেন

অফিসে যাওয়ার আগে মিলিয়ে নিন

বড়দের ছবি নিয়ে যেতে হয় না, কোনো কাগজ সত্যায়নও লাগে না। অফিসে ডিজিটাল ক্যামেরায় ছবি তোলা হয়, আঙুলের ছাপ আর চোখের আইরিশ স্ক্যান নেওয়া হয়। পোর্টালের প্রশ্নোত্তরে বলা আছে, ১৫ বছরের কম বয়সী আবেদনকারীর বাবা-মায়ের ছবিও জমা দিতে হয়, তাই শিশুর আবেদনে সেটিও সঙ্গে রাখুন।

বায়োমেট্রিক দেওয়ার আগে পর্দায় আপনার তথ্য একবার দেখে নিন। কোথাও ভুল থাকলে তখনই এনরোলমেন্ট কর্মকর্তাকে বলুন, প্রমাণের কাগজ দেখে তিনি ঠিক করে দিতে পারেন। কাজ শেষে একটি ডেলিভারি স্লিপ দেওয়া হয়, এতে Application ID থাকে। পাসপোর্ট হাতে পাওয়া পর্যন্ত স্লিপটি হারাবেন না।

৬. ডেলিভারি, এসএমএস আর পাসপোর্ট হাতে নেওয়া

ডেলিভারির ধরনএনরোলমেন্টের দিন থেকে সময়
Regular১৫ কর্মদিবস (মোটামুটি ২১ দিন)
Express৭ কর্মদিবস (মোটামুটি ১০ দিন)
Super Express২ কর্মদিবস

এই সময় ধরা হয় সব তথ্য ঠিক থাকা সাপেক্ষে। ২০২৫ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নতুন পাসপোর্টে পুলিশ ভেরিফিকেশনের শর্ত তুলে দিয়েছে, অনলাইনে যাচাই করা NID বা জন্ম নিবন্ধনের তথ্যের ভিত্তিতেই এখন পাসপোর্ট দেওয়ার কথা। তবু কোনো আবেদন ব্যাকএন্ড যাচাইয়ে আটকে যেতে পারে, তাই মাঝে মাঝে অনলাইনে স্ট্যাটাস দেখুন।

  • অ্যাকাউন্টে এসএমএস নোটিফিকেশন চালু রাখলে আবেদনের অবস্থা বদলালে মোবাইলে বার্তা আসে। বিদেশি নম্বরে এই এসএমএস যায় না।
  • শুধু ইমেইল এল, এসএমএস এল না, তবু পাসপোর্ট তুলতে পারবেন। স্ট্যাটাসে Passport Ready for Issuance দেখালেই অফিসে যান।
  • পাসপোর্ট তুলতে ডেলিভারি স্লিপ নিয়ে যান। রি-ইস্যু হলে পুরোনো পাসপোর্টও সঙ্গে নিতে হয়।
  • ১২ বছরের কম বয়সী শিশুর পাসপোর্ট তুলতে গেলে আপনার নিজের NID বা পাসপোর্ট সঙ্গে রাখুন।
  • নিজে যেতে না পারলে আপনার সই করা অনুমতিপত্র আর নিজের NID নিয়ে অন্য কেউ পাসপোর্ট তুলতে পারেন।

৭. অনেকে যা জানতে চান

১৭ বছরের সন্তানের জন্য ১০ বছর মেয়াদের পাসপোর্ট করা যাবে?
না। ১৮ বছরের কম বয়সীদের পাসপোর্ট হয় ৫ বছর মেয়াদি আর ৪৮ পৃষ্ঠার। আগে ৬৫ বছরের বেশি বয়সীদের জন্যও ৫ বছরের শর্ত ছিল, পোর্টালের হালনাগাদ নির্দেশনায় সেই শর্ত বাতিলের কথা বলা আছে।
বয়স ২২, NID এখনো হয়নি। জন্ম নিবন্ধন দিয়ে আবেদন করা যাবে?
দেশে আবেদন করলে যাবে না। ২০ বছরের বেশি বয়সে NID বাধ্যতামূলক, পাসপোর্ট পোর্টালের প্রশ্নোত্তরেও তাই বলা আছে। আগে NID করিয়ে নিন। বিদেশের বাংলাদেশ মিশন থেকে আবেদন করলে অবশ্য অনলাইন জন্ম নিবন্ধন সনদ চলে।
অনলাইনে টাকা কেটে গেছে, কিন্তু পেমেন্ট Failed দেখাচ্ছে। কী করব?
আগে Application Summary পাতায় Check payment status চেপে দেখুন। তারপরও Failed থাকলে টাকা ফেরতের জন্য আপনার ব্যাংক বা যে মাধ্যমে টাকা দিয়েছেন, তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। পোর্টালের নির্দেশনা হলো, টাকা ফেরত পাওয়ার পর পুরোনো আবেদনটি মুছে নতুন আবেদন করা। টাকা না কেটে থাকলে Offline payment বেছে ব্যাংকে জমা দিতে পারেন।
ফরম জমার পর দেখি নামের বানানে ভুল। নতুন করে আবেদন করতে হবে?
সাধারণত না। Application Summary প্রিন্ট করে নির্ধারিত দিনে অফিসে যান, এনরোলমেন্ট কর্মকর্তাকে ভুলটা দেখান, সঙ্গে NID, জন্ম নিবন্ধন বা আগের পাসপোর্টের মতো প্রমাণ রাখুন। আবেদনকারীর নামই ভুল লেখা হয়ে থাকলে আর সেই নামে ফি জমা হয়ে গেলে আলাদা অনুমোদন লাগে, তাতে কিছুটা বাড়তি সময় লাগতে পারে।

এরপর কী করবেন

এরপর পড়তে পারেন

যেখান থেকে তথ্য মিলিয়েছি

জেনে রাখুন: লেখাটি সাধারণ মানুষের সুবিধার জন্য স্বাধীনভাবে লেখা, নাগরিক সেবা কোনো সরকারি দপ্তর নয়। লেখাটি সর্বশেষ হালনাগাদ হয়েছে ১৬ অক্টোবর ২০২৬। ফি, তারিখ আর নিয়ম বদলাতে পারে, আবেদনের আগে সংশ্লিষ্ট সরকারি সাইটে সর্বশেষ বিজ্ঞপ্তি দেখে নিন।

সরকারি সাইট

আরও পড়ুন

পাসপোর্ট নিয়ে আরও লেখা

পুরো বিভাগ
আবেদন আটকে আছে

Backend Verification-এ আটকে গেলে

আঙুলের ছাপ না মেলা বা আগের পাসপোর্টের কথা ফরমে না লেখায় আবেদন ব্যাকএন্ডে আটকে গেলে কোথায়, কীভাবে খোঁজ নেবেন। পড়তে ৪ মিনিট
Police Clearance

পুলিশ ভেরিফিকেশন উঠে গেছে: Police Clearance দেখালে কী করবেন

২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে পাসপোর্টে পুলিশ যাচাই নেই। পুরোনো আবেদনে Police Clearance দেখালে কোথায় খোঁজ নেবেন। পড়তে ৩ মিনিট
স্ট্যাটাস দেখা

অনলাইনে ই-পাসপোর্ট স্ট্যাটাস দেখা

OID নম্বর আর জন্ম তারিখ দিয়ে সরকারি পোর্টালে আবেদনের সর্বশেষ অবস্থা দেখার ধাপগুলো। পড়তে ৩ মিনিট
রিওয়ার্ক

আবেদন Rework এ ফেরত এলে

ফরমের তথ্যে গরমিল বা বড় কোনো ভুলের জন্য 'Rework' দেখালে পাসপোর্ট অফিসে গিয়ে যা যা করতে হয়। পড়তে ২ মিনিট

অনেকে খোঁজেন