
সংক্ষেপে
ফি নির্ভর করে পৃষ্ঠা সংখ্যা, মেয়াদ আর ডেলিভারির ধরনের ওপর। তাই আবেদনের আগেই ঠিক করে নিন ৪৮ না ৬৪ পৃষ্ঠা, ৫ না ১০ বছর, আর Regular, Express ও Super Express এর মধ্যে কোনটি নেবেন।
এই লেখায়
৪৮ না ৬৪ পৃষ্ঠা
বেড়ানো, চাকরি বা পড়াশোনার জন্য বিদেশে গেলে অনেকের ৪৮ পৃষ্ঠাতেই চলে যায়। যাঁরা ঘন ঘন বিদেশে যান, ব্যবসার কাজে যাতায়াত করেন বা যাঁদের একাধিক ভিসা লাগে, তাঁদের জন্য ৬৪ পৃষ্ঠা সুবিধার হতে পারে। মনে রাখবেন, পৃষ্ঠা বেশি মানে ফিও বেশি।
৫ না ১০ বছর মেয়াদ
প্রাপ্তবয়স্ক হলে লম্বা মেয়াদই সুবিধার, বারবার রি-ইস্যু করার ঝামেলা কমে। তবে শিশুদের ক্ষেত্রে, বয়সের কারণে কোনো সীমা থাকলে, বা বিশেষ কিছু পরিস্থিতিতে ৫ বছরের পাসপোর্ট লাগতে পারে। ফরমে মেয়াদ ভুল বাছলে পেমেন্টের হিসাবও বদলে যায়।
Regular, Express আর Super Express এর তফাত
তাড়া না থাকলে Regular। একটু তাড়াতাড়ি দরকার হলে Express। আর খুব জরুরি হলে Super Express। তবে সব অফিসে সব সময় একই সুবিধা পাওয়া যাবে, এমনটা ধরে নেবেন না। আবেদনের আগে সরকারি পোর্টালের নির্দেশনা দেখে নিন।
টাকা জমার আগে মিলিয়ে নিন
পৃষ্ঠা, মেয়াদ, ডেলিভারির ধরন আর আবেদনকারীর বয়স, চারটিই আরেকবার দেখে নিন। কোনো আবেদন আইডির বিপরীতে ভুল অঙ্ক জমা হয়ে গেলে পরে তা ঠিক করানো ঝামেলার হতে পারে। কোথাও খটকা লাগলে টাকা দেওয়ার আগেই পোর্টাল বা পাসপোর্ট অফিসের নির্দেশনা দেখে নিন।
আরও পড়ুন
দরকারি সরকারি লিংক
ফি, সময়সীমা আর নিয়ম বদলাতে পারে। আবেদনের আগে সংশ্লিষ্ট সরকারি পোর্টালে শেষবার মিলিয়ে নিন।