ভূমি ও নামজারি

আমমোক্তারনামা বা পাওয়ার অব অ্যাটর্নি: খরচ কত, মেয়াদ, বাতিল আর বিদেশ থেকে করার নিয়ম

সম্পাদনা: রিহাত খানপড়তে ৭ মিনিট

হালনাগাদ: ১৮ অক্টোবর ২০২৬ভূমি সেবা হেল্পলাইন ১৬১২২mutation.land.gov.bd
আমমোক্তারনামা বা পাওয়ার অব অ্যাটর্নি: খরচ কত, মেয়াদ, বাতিল আর বিদেশ থেকে করার নিয়ম

সংক্ষেপে

আমমোক্তারনামা বা পাওয়ার অব অ্যাটর্নি হলো এমন দলিল, যা দিয়ে আপনি অন্য কাউকে আপনার হয়ে নির্দিষ্ট কাজ করার ক্ষমতা দেন। জমি বিক্রি, বায়না, ব্যাংক ঋণের বিপরীতে বন্ধক বা ডেভেলপারকে জমি দেওয়ার জন্য যে ‘অপ্রত্যাহারযোগ্য’ পাওয়ার, পাওয়ার অব অ্যাটর্নি আইন, ২০১২-এর ধারা ৬ অনুযায়ী তা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে রেজিস্ট্রি করা বাধ্যতামূলক।

নিবন্ধন অধিদপ্তরের সর্বশেষ ফি তালিকা অনুযায়ী সাধারণ পাওয়ারে স্ট্যাম্প শুল্ক ১,৫০০ টাকা, বিশেষ পাওয়ারে ৮০০ টাকা, আর পণমূল্যসহ অপ্রত্যাহারযোগ্য পাওয়ারে পণমূল্যের ১.৫% (কমপক্ষে ১০ হাজার, সর্বোচ্চ ১ লাখ টাকা)। প্রতিটির সঙ্গে ৩০০ টাকার হলফনামা লাগে। বাতিল করতে চাইলে সাধারণ পাওয়ারে ৩০ দিনের রেজিস্টার্ড নোটিশ দিলেই হয়, কিন্তু অপ্রত্যাহারযোগ্য পাওয়ার শুধু আইনে বলা কারণেই শেষ হয়।

নমুনা ফরম নিবন্ধন অধিদপ্তরে

পাওয়ার অব অ্যাটর্নি দলিলের সরকারি নমুনা ফরম আর আইন-বিধিমালা নিবন্ধন অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে আছে।

ফরম দেখুন
এই লেখায়
  1. কোন পাওয়ার কোন কাজে
  2. খরচ কত: স্ট্যাম্প শুল্ক আর রেজিস্ট্রেশন ফি
  3. দলিল করার ধাপ আর কাগজ
  4. মেয়াদ কতদিন, কখন শেষ হয়, কীভাবে বাতিল
  5. প্রবাস থেকে পাওয়ার অব অ্যাটর্নি দিতে চাইলে
  6. অনেকে যা জানতে চান

১. কোন পাওয়ার কোন কাজে

আইনে পাওয়ার অব অ্যাটর্নিকে কয়েক ভাগে দেখা হয়। কোনটা দরকার, তা ঠিক হয় কাজের ধরন দেখে। এর ওপরই নির্ভর করে খরচ আর বাতিলের নিয়ম।

ধরনকখন লাগে
অপ্রত্যাহারযোগ্যস্থাবর সম্পত্তি বিক্রি, বায়না দলিল সম্পাদন, ঋণের বিপরীতে বন্ধক, অথবা পণমূল্যের বিনিময়ে ডেভেলপারকে ভূমি উন্নয়নের ক্ষমতা দিতে
সাধারণঅপ্রত্যাহারযোগ্য কাজের বাইরে অন্য যেকোনো কাজ, যেমন খাজনা দেওয়া, নামজারির আবেদন, মামলা চালানো বা জমি দেখাশোনা
বিশেষদাতা নিজে দলিল সম্পাদন করেছেন, কিন্তু রেজিস্ট্রির জন্য অফিসে জমা দেবেন বা স্বীকার করবেন গ্রহীতা

‘পণমূল্য’ মানে ভূমি উন্নয়নের ক্ষেত্রে ডেভেলপার যে অংশ বিক্রি বা হস্তান্তরের ক্ষমতা পান তার বাজারমূল্য, আর জমির মালিক কোনো টাকা নিলে তা মিলিয়ে দলিলের মূল্য। পাওয়ার অব অ্যাটর্নি বিধিমালা, ২০১৫-এর বিধি ৪ অনুযায়ী উইল করা, দত্তক নেওয়ার ক্ষমতা, দান বা হেবার ঘোষণা আর ট্রাস্ট দলিল সম্পাদনের ক্ষমতা পাওয়ার অব অ্যাটর্নি দিয়ে দেওয়া যায় না।

২. খরচ কত: স্ট্যাম্প শুল্ক আর রেজিস্ট্রেশন ফি

নিবন্ধন অধিদপ্তরের ‘দলিল রেজিস্ট্রেশন সংক্রান্ত ফিস, স্ট্যাম্প শুল্ক ও করাদির হার’ তালিকা সর্বশেষ হালনাগাদ হয়েছে ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫। সেখানে পাওয়ার অব অ্যাটর্নির হার এমন:

দলিলস্ট্যাম্প শুল্করেজিস্ট্রেশন ফি
বিশেষ পাওয়ার অব অ্যাটর্নি৮০০ টাকা১০০ টাকা, সঙ্গে সাফ কবলার মতো এন ও ই ফি
সাধারণ পাওয়ার অব অ্যাটর্নি১,৫০০ টাকাই ফি ১০০ টাকা, এন ফি সাফ কবলার মতো
ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের জন্য২,০০০ টাকাই ফি ১০০ টাকা, এন ফি সাফ কবলার মতো
অপ্রত্যাহারযোগ্য, পণমূল্য ছাড়া১,৫০০ টাকাই ফি ১০০ টাকা, এন ফি সাফ কবলার মতো
অপ্রত্যাহারযোগ্য, পণমূল্যসহপণমূল্যের ১.৫%, কমপক্ষে ১০,০০০ ও সর্বোচ্চ ১,০০,০০০ টাকাএ ফি ২%, কমপক্ষে ১০০ ও সর্বোচ্চ ৪০,০০০ টাকা, সঙ্গে এন ও ই ফি
পাওয়ার অব অ্যাটর্নি রহিতকরণ৫০০ টাকাই ফি ১০০ টাকা, এন ফি সাফ কবলার মতো

সব ক্ষেত্রেই আলাদা ৩০০ টাকার হলফনামা লাগে। সাফ কবলার এন ফি হলো ৩০০ শব্দের প্রতি পৃষ্ঠায় ২৪ টাকা, আর ই ফি ১০০ টাকা। স্থানীয় সরকার কর আর আয়করের উৎসে কর পাওয়ার অব অ্যাটর্নিতে প্রযোজ্য নয় বলে তালিকায় লেখা আছে। দলিল লেখকের পারিশ্রমিক এর বাইরে, আর হার বদলাতে পারে বলে দলিল জমার আগে অফিস থেকে মিলিয়ে নিন।

৩. দলিল করার ধাপ আর কাগজ

  • ১
    কাজটা লিখে ঠিক করুনদাতার উদ্দেশ্য, গ্রহীতা ঠিক কী কী করতে পারবেন, কোনো সীমা আছে কি না, মেয়াদ আর সম্পত্তির তফসিল আগে কাগজে লিখুন। আইনের ধারা ৬ অনুযায়ী এগুলো দলিলে স্পষ্ট থাকতে হয়।
  • ২
    নির্ধারিত ফরমে দলিল লেখানবিধিমালার তফসিলের ফরম-১ অনুসরণ করে লাইসেন্সধারী দলিল লেখককে দিয়ে দলিল তৈরি করান। নিবন্ধন অধিদপ্তরের সাইটে নমুনা ফরম আছে।
  • ৩
    ছবি ও পরিচয়পত্র যুক্ত করুনদাতা ও গ্রহীতা দুজনের সাদা পটভূমির পাসপোর্ট আকারের রঙিন ছবি দলিলে লাগিয়ে তার ওপর আড়াআড়ি সই ও টিপসই দিন। দুজনের জাতীয় পরিচয়পত্র, জন্মনিবন্ধন বা পাসপোর্টের কপি দিন।
  • ৪
    হলফনামা ও জমির কাগজ দিনস্থাবর সম্পত্তি থাকলে ফরম-২ অনুযায়ী দাতার হলফনামা লাগে। অপ্রত্যাহারযোগ্য পাওয়ারে রেজিস্ট্রেশন আইনের ধারা ৫২ক-এর কাগজ, যেমন দাতার নামে সর্বশেষ খতিয়ান, দিতে হয়।
  • ৫
    সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে জমা দিনস্ট্যাম্প শুল্ক ও ফি পরিশোধ করে দলিল জমা দিন। দাতাকে সাব-রেজিস্ট্রারের সামনে হাজির হয়ে দলিল সম্পাদনের কথা স্বীকার করতে হয়। জমার রসিদ নিয়ে রাখুন।
গ্রহীতার কাজের দায় আপনার

আইনের ধারা ৭ অনুযায়ী গ্রহীতা ক্ষমতার মধ্যে যা করবেন, তা দাতা নিজে করেছেন বলে গণ্য হবে। তাই ক্ষমতা যতটুকু দরকার ঠিক ততটুকু লিখুন, আর ভরসার মানুষকেই দিন।

৪. মেয়াদ কতদিন, কখন শেষ হয়, কীভাবে বাতিল

ভূমি উন্নয়নের অপ্রত্যাহারযোগ্য পাওয়ারের একটি নির্দিষ্ট মেয়াদ থাকতে হয়, আর সেই মেয়াদে এটি বাতিল করা যায় না (ধারা ৪)। মেয়াদ বাড়াতে চাইলে দুই পক্ষ রেজিস্ট্রিকৃত চুক্তি করে বাড়াতে পারেন। মেয়াদের আগে দাতা বা গ্রহীতা মারা গেলে বা অক্ষম হলে দায় ও অধিকার তাঁদের বৈধ ওয়ারিশের ওপর যায়, পাওয়ার নিজে থেকে শেষ হয় না।

  • যে কাজের জন্য দেওয়া, সেটি শেষ হলে পাওয়ার শেষ।
  • নির্দিষ্ট মেয়াদের জন্য দিলে মেয়াদ পেরোলে শেষ।
  • যে সম্পত্তি নিয়ে দেওয়া, সেটি ধ্বংস বা বিলুপ্ত হলে শেষ।
  • অপ্রত্যাহারযোগ্য ছাড়া অন্য পাওয়ারে দাতা মারা গেলে, দেউলিয়া বা অপ্রকৃতিস্থ হলে শেষ।
  • সাধারণ পাওয়ার দাতা গ্রহীতাকে ৩০ দিনের রেজিস্টার্ড ডাকে নোটিশ দিয়ে শেষ করতে পারেন। নোটিশের আগে গ্রহীতার করা কাজ বৈধ থাকে।
  • গ্রহীতাও দাতাকে ৩০ দিনের রেজিস্টার্ড নোটিশ দিয়ে দায়িত্ব ছেড়ে দিতে পারেন।

অপ্রত্যাহারযোগ্য পাওয়ারের উদ্দেশ্য বা শর্ত ব্যাহত হলে, বা কোনো পক্ষ ক্ষতির মুখে পড়লে, দাতা বা গ্রহীতা ৩০ দিনের রেজিস্টার্ড নোটিশ দিয়ে ক্ষমতার অবসান ঘটাতে পারেন। নোটিশের কপি সংশ্লিষ্ট সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে পাঠাতে হয়। তবে বিরোধ নিয়ে ধারা ১৩-এর প্রক্রিয়া চললে তা শেষ না হওয়া পর্যন্ত পাওয়ার স্থগিত থাকে। ধারা ১৩ বলছে, আগে নিজেরা মীমাংসার চেষ্টা, না হলে নিরপেক্ষ মধ্যস্থতাকারী, তাতেও না হলে আদালত।

বিধি ১২ অনুযায়ী পাওয়ার যেভাবেই শেষ হোক, দাতা বা গ্রহীতা বা স্বার্থসংশ্লিষ্ট কেউ বিধিমালার ফরম-২ অনুযায়ী নোটিশ দিয়ে সাব-রেজিস্ট্রারকে জানাবেন, যাতে ১ নং বহিতে তা নথিভুক্ত হয়। দুই পক্ষ রাজি থাকলে রহিতকরণ দলিল রেজিস্ট্রি করেও পাওয়ার বাতিল করা যায়।

৫. প্রবাস থেকে পাওয়ার অব অ্যাটর্নি দিতে চাইলে

বিদেশে থাকা মালিক দেশে কাউকে ক্ষমতা দিতে চাইলে বিধিমালার বিধি ১০ মানতে হয়। দলিল তৈরি হয় ফরম-৩ অনুযায়ী, মূল ও প্রতিলিপি দুই প্রস্থে। দুজনের ছবি লাগিয়ে দাতা ছবির ওপর আড়াআড়ি সই ও টিপসই দেন, আর দলিল সম্পাদন হয় রেজিস্ট্রেশন আইনের ধারা ৩৩-এ বলা উপযুক্ত কর্মকর্তার সামনে, যেমন বাংলাদেশ দূতাবাস বা হাইকমিশনের কর্মকর্তা।

দলিল দেশে আসার পরযা করতে হবে
২ মাসের মধ্যেপররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বা সরকারের নিযুক্ত কর্মকর্তার কাছ থেকে প্রমাণীকরণ
৩ মাসের মধ্যেস্ট্যাম্প আইন অনুযায়ী স্ট্যাম্প শুল্ক পরিশোধ, জেলা কালেক্টরের মাধ্যমে
৪ মাসের মধ্যেপ্রযোজ্য ক্ষেত্রে ফি দিয়ে সংশ্লিষ্ট সাব-রেজিস্ট্রারের কাছে নিবন্ধনের জন্য দাখিল

উল্টো দিকে, দেশে নিবন্ধিত পাওয়ার অব অ্যাটর্নি বিদেশে ব্যবহার করতে হলে তা নোটারি পাবলিক দিয়ে সত্যায়িত ও সিলমোহর করাতে হয়, আর ব্যবহারের আগে আইন ও বিচার বিভাগ থেকে যাচাই করাতে হয় (বিধি ১১)।

বিরোধ হলে

পাওয়ার অব অ্যাটর্নি নিয়ে প্রতারণা বা বিরোধের আশঙ্কা থাকলে সংশ্লিষ্ট সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে দলিল তল্লাশি করে দেখুন কী নথিভুক্ত আছে, আর একজন আইনজীবীর পরামর্শ নিন। জমির রেকর্ড নিয়ে প্রশ্ন থাকলে সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিসে যোগাযোগ করুন।

৬. অনেকে যা জানতে চান

আমমোক্তারনামা দলিলের মেয়াদ কতদিন?
সাধারণ পাওয়ারের মেয়াদ দলিলে যা লেখা থাকে, ততদিন। মেয়াদ না লিখলে কাজ শেষ হওয়া, দাতার মৃত্যু বা নোটিশ দিয়ে বাতিলের মতো কারণে শেষ হয়। ভূমি উন্নয়নের অপ্রত্যাহারযোগ্য পাওয়ারে নির্দিষ্ট মেয়াদ থাকা বাধ্যতামূলক, রেজিস্ট্রিকৃত চুক্তি করে তা বাড়ানো যায়।
অপ্রত্যাহারযোগ্য পাওয়ার অব অ্যাটর্নি কি বাতিল করা যায়?
ইচ্ছা হলেই নয়। উদ্দেশ্য বা শর্ত ব্যাহত হলে বা কোনো পক্ষ ক্ষতির মুখে পড়লে ৩০ দিনের রেজিস্টার্ড নোটিশ দিয়ে, কপি সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে পাঠিয়ে ক্ষমতার অবসান ঘটানো যায়। বিরোধ থাকলে নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পাওয়ার স্থগিত থাকে।
আমমোক্তারনামা দিয়ে কি ছেলেকে জমি হেবা করা যায়?
না। পাওয়ার অব অ্যাটর্নি বিধিমালা, ২০১৫-এর বিধি ৪ অনুযায়ী দান বা হেবার ঘোষণা পাওয়ার অব অ্যাটর্নির মাধ্যমে করা যায় না। হেবা দাতাকে নিজেই সম্পাদন করতে হয়।
দাতা মারা গেলে আমমোক্তারের কাজ কি বৈধ থাকে?
সাধারণ পাওয়ার দাতার মৃত্যুতে শেষ হয়। তবে মৃত্যুর খবর না জেনে সরল বিশ্বাসে করা লেনদেন ধারা ১০ অনুযায়ী সুরক্ষিত থাকে। অপ্রত্যাহারযোগ্য পাওয়ারে দাতার মৃত্যুর পর তাঁর ওয়ারিশরা দলিলের দায় বহন করেন।

এরপর পড়তে পারেন

যেখান থেকে তথ্য মিলিয়েছি

জেনে রাখুন: লেখাটি সাধারণ মানুষের সুবিধার জন্য স্বাধীনভাবে লেখা, নাগরিক সেবা কোনো সরকারি দপ্তর নয়। লেখাটি সর্বশেষ হালনাগাদ হয়েছে ১৮ অক্টোবর ২০২৬। ফি, তারিখ আর নিয়ম বদলাতে পারে, আবেদনের আগে সংশ্লিষ্ট সরকারি সাইটে সর্বশেষ বিজ্ঞপ্তি দেখে নিন।

সরকারি সাইট

আরও পড়ুন

এ বিষয়ে আরও লেখা

সব লেখা
ভূমি সেবা

DCR ফি দেওয়ার পরও খতিয়ান প্রিন্ট না এলে যা দেখবেন

ই-নামজারির DCR ফি দেওয়ার পর খতিয়ান প্রিন্ট না এলে নতুন আবেদনের আগে পেমেন্ট স্ট্যাটাস, চালান আর আবেদন নম্বর কীভাবে মিলিয়ে দেখবেন।
ভূমি সেবা

ই-নামজারি শুনানি ও নামঞ্জুর: কোন কাগজ লাগবে

ই-নামজারির শুনানির নোটিশ এলে বা আবেদন Rejected দেখালে কারণটা কোথায় পড়বেন, কোন দলিল ও খতিয়ান গুছিয়ে রাখবেন, আর আবার আবেদনের আগে কী ঠিক করবেন।

অনেকে খোঁজেন