
সংক্ষেপে
আগে হাতের কাছে রাখুন কার্ডের নম্বর, নিবন্ধিত মোবাইল নম্বর আর NID পোর্টালের অ্যাকাউন্ট। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর থেকে হারানো NID তুলতে থানায় GD লাগে না। তারপর নির্বাচন কমিশনের NID পোর্টালে লগইন করে অনলাইন কপি নিন, কিংবা রি-ইস্যুর আবেদন করুন।
এই লেখায়
হারানোর পর প্রথম কাজ
কার্ড হারালে অনেকে সঙ্গে সঙ্গে নতুন আবেদনের পেছনে ছোটেন। তার আগে দেখে নিন NID নম্বর, জন্মতারিখ আর নিবন্ধিত মোবাইল নম্বর আপনার কাছে আছে কি না। ব্যাংক, সিম, পাসপোর্ট বা চাকরির কোনো কাজ জরুরি হলে অনেক ক্ষেত্রে অনলাইন কপি দিয়েই আপাতত কাজ চালানো যায়।
GD কি এখনো লাগে
নির্বাচন কমিশন ২০২৫ সালের ৯ সেপ্টেম্বর হারানো বা নষ্ট NID তোলার আবেদনে GD-র বাধ্যবাধকতা তুলে দিয়েছে, এখন অনলাইনে ফি দিয়েই আবেদন করা যায়। তবে কার্ডটি চুরি গেছে বা কেউ অপব্যবহার করছে বলে সন্দেহ হলে নিজের সুরক্ষার জন্য থানায় GD করে রাখতে পারেন। GD-তে নিজের নাম, NID নম্বর, আর কার্ডটি কোথায়, কখন হারিয়েছে বলে মনে হয়, পরিষ্কার করে লিখুন।
অনলাইন কপি নামানোর আগে
services.nidw.gov.bd-তে ঢুকতে মোবাইল নম্বর যাচাই, মুখের ছবি মিলিয়ে দেখা কিংবা পাসওয়ার্ড রিসেট লাগতে পারে। অন্যের ফোন বা দোকানের কম্পিউটার থেকে ঢুকলে কাজ শেষে লগআউট করতে ভুলবেন না। দোকানদার বা অন্য কাউকে পাসওয়ার্ড জানিয়ে রাখবেন না।
রি-ইস্যুর আবেদনে যে ভুলটা অনেকে করেন
হারানো কার্ড তোলার আবেদনে নাম, জন্মতারিখ বা ঠিকানা বদলানোর চেষ্টা করবেন না। রি-ইস্যু আর সংশোধন দুটো আলাদা কাজ। শুধু duplicate কার্ড চাইলে সাধারণত আগের তথ্যই ব্যবহার করা হয়। তথ্যে ভুল থাকলে সংশোধনের প্রমাণ আলাদা করে আগে গুছিয়ে নিন।
আরও কাজে লাগবে
দরকারি সরকারি লিংক
ফি, সময়সীমা আর নিয়ম বদলাতে পারে। আবেদনের আগে সংশ্লিষ্ট সরকারি পোর্টালে শেষবার মিলিয়ে নিন।