জাতীয় পরিচয়পত্র

NID-তে নাম সংশোধনে কী কী কাগজ লাগে

নাগরিক সেবা সম্পাদনা দলপড়তে ২ মিনিট

হালনাগাদ: ১৬ অক্টোবর ২০২৬NID হেল্পলাইন ১০৫services.nidw.gov.bd

সংক্ষেপে

NID-তে বাংলা বা ইংরেজি নাম ঠিক করাতে সবচেয়ে জোরালো প্রমাণ আপনার এসএসসি (SSC) বা সমমানের পরীক্ষার সনদ, যদি পরীক্ষা দিয়ে থাকেন। এর সঙ্গে অনলাইনে থাকা জন্ম নিবন্ধন সনদ (BDRIS) লাগবেই। বিয়ের কারণে নাম বদলাতে চাইলে কাবিননামাও দিতে হবে।

আবেদন করবেন এখানে

নির্বাচন কমিশনের NID পোর্টালে রেজিস্ট্রেশন করে আবেদন আর চালানের ফি জমা দিন।

NID অনলাইন পোর্টাল
এই লেখায়
  1. নিজের নাম ঠিক করতে মূল যে কাগজগুলো লাগে
  2. বাবা-মায়ের নাম ঠিক করতে বাড়তি যা লাগে
  3. এসএসসি (SSC) সনদ না থাকলে কী দেবেন
  4. অনলাইনে কাগজ জমা দেওয়ার তিন ধাপ
  5. অনেকে যা জানতে চান

১. নিজের নাম ঠিক করতে মূল যে কাগজগুলো লাগে

নির্বাচন কমিশন নাম সংশোধনকে সাধারণত দুই ভাগে দেখে। একটি ছোটখাটো বানান ভুল, যেমন Abul থেকে Abdul। অন্যটি পুরো নাম বদল, যেমন Md Abul থেকে Md Abdur Rahman। দুই ক্ষেত্রেই মূলত এই কাগজগুলো কাজে লাগে:

নিজের নামের জন্য যা গুছিয়ে রাখবেন:

২. বাবা-মায়ের নাম ঠিক করতে বাড়তি যা লাগে

কার্ডে বাবা বা মায়ের নামের বানান ভুল থাকলে শুধু নিজের কাগজ দিলে হয় না, তাঁদের কাগজও দেখাতে হয়:

  1. বাবা ও মায়ের NID কার্ডের কপি: এটা আপলোড করতেই হবে।
  2. ভাই-বোনের NID কপি: তাঁদের কার্ডে বাবা-মায়ের নাম ঠিকঠাক থাকলে সেটি বড় প্রমাণ। এতে বোঝা যায়, সঠিক নামটা আসলে কী।
  3. বাবা বা মায়ের অনলাইন জন্ম নিবন্ধন: তাঁদের ডিজিটাল কার্ড না থাকলে, কিংবা তাঁরা মারা গিয়ে থাকলে, ওয়ারিশ সনদ ও মৃত্যু সনদও লাগবে।

৩. এসএসসি (SSC) সনদ না থাকলে কী দেবেন

বোর্ড পরীক্ষার কোনো সনদ না থাকলেও নাম সংশোধন করা যায়। তখন নির্বাচন কমিশন অন্য কাগজ দেখে, তবে যাচাই করে অনেক বেশি খুঁটিয়ে।

এমন ক্ষেত্রে অনলাইন জন্ম নিবন্ধন, পাসপোর্ট (থাকলে), জীবন বীমা পলিসির কপি, ড্রাইভিং লাইসেন্স, নিকাহনামা বা কাবিননামা প্রমাণ হিসেবে জমা দিতে হয়। চাকরিজীবী হলে সার্ভিস বই বা সরকারি পেনশনের বইও দেওয়া যায়। এ ধরনের আবেদনে সাধারণত নির্বাচন অফিসে শুনানিতে ডাকা হয়।

৪. অনলাইনে কাগজ জমা দেওয়ার তিন ধাপ

  • ১
    কাগজ স্ক্যান করে রাখুন প্রতিটি প্রমাণপত্রের মূল কপির পরিষ্কার ছবি তুলুন, বা মোবাইলে স্ক্যান করে PDF কিংবা JPEG হিসেবে সেভ করুন। প্রতিটি ফাইল ১ মেগাবাইটের (1 MB) কম হতে হবে।
  • ২
    আগে ফি, তারপর ফরম বিকাশ, রকেট বা নগদে NID-এর ফি দিন। এরপর পোর্টালে ঢুকে যে তথ্য বদলাতে চান, সেগুলো লিখুন।
  • ৩
    আপলোড করে রিসিভ কপি প্রিন্ট শেষ ধাপে 'Documents' ঘরে স্ক্যান করা ফাইলগুলো ঠিক ক্যাটাগরিতে আপলোড করে সাবমিট দিন। আবেদনের রিসিভ কপিটি প্রিন্ট করে রাখতে ভুলবেন না।

৫. অনেকে যা জানতে চান

পরীক্ষার কোনো সনদ নেই, তাহলে নাম সংশোধন করব কীভাবে?
সেক্ষেত্রে অনলাইন জন্ম নিবন্ধন সনদ, জীবন বীমা পলিসি, পাসপোর্ট, ড্রাইভিং লাইসেন্স আর নোটারি করা এফিডেভিটই হবে আপনার মূল প্রমাণ।
বিয়ের পর স্বামীর নাম যোগ করতে কি নিজের নাম বদলাতে হয়?
না, নিজের নাম যেমন আছে তেমনই থাকবে। NID পোর্টালে বৈবাহিক অবস্থা 'বিবাহিত' করলে স্বামীর নাম ও NID লেখার আলাদা ঘর পাবেন। প্রমাণ হিসেবে সেখানে কাবিননামা আপলোড করতে হয়।

এরপর পড়তে পারেন

জেনে রাখুন: লেখাটি সাধারণ মানুষের সুবিধার জন্য স্বাধীনভাবে লেখা। নাগরিক সেবা নির্বাচন কমিশনের অংশ নয়, তাদের সঙ্গে যুক্তও নয়। NID সংশোধন বা আপিলের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আইন অনুযায়ী নির্বাচন কমিশনের সংশ্লিষ্ট উইং নেয়।

সরকারি সাইট

অনেকে খোঁজেন