জাতীয় পরিচয়পত্র

NID-র বানান ভুলে পাসপোর্ট আটকালে কী করবেন

নামের একটা অক্ষর এদিক-ওদিক হলেই পাসপোর্টের আবেদন আটকে যেতে পারে। NID, জন্ম নিবন্ধন আর শিক্ষা সনদে বানান আলাদা হলে আসল প্রশ্ন একটাই: কোন কাগজটা আগে ঠিক করাবেন।

নাগরিক সেবা সম্পাদনা দল৭ মিনিট

হালনাগাদ: ১৬ অক্টোবর ২০২৬NID হেল্পলাইন ১০৫services.nidw.gov.bd
NID আর পাসপোর্টে নামের বানান না মেলা

সংক্ষেপে

NID আর পাসপোর্টে নামের বানান না মিললে আগে সব কাগজ পাশাপাশি রাখুন। দেখুন কোন বানানটা সবচেয়ে বেশি রেকর্ডে একই রকম আছে। এরপর জন্ম নিবন্ধন, SSC সনদ, পুরোনো পাসপোর্ট আর বাবা-মায়ের তথ্য মিলিয়ে ঠিক করুন কোনটা আগে আর কোনটা পরে সংশোধন করাবেন।

এই লেখায়
  1. নামের কারণে পাসপোর্ট কেন আটকায়
  2. কোন কাগজকে ভিত্তি ধরবেন
  3. আগে NID, নাকি আগে জন্ম নিবন্ধন
  4. পাসপোর্টের আবেদন জমার আগে শেষবার দেখে নিন
  5. আরও কাজে লাগবে

নামের কারণে পাসপোর্ট কেন আটকায়

বাংলা নাম, ইংরেজি বানান, middle name, কিংবা বাবা বা মায়ের নামে সামান্য তফাত থাকলেও পাসপোর্ট অফিস বাড়তি যাচাই চাইতে পারে। বিশেষ করে NID আর জন্ম নিবন্ধনে বানান দুই রকম হলে আবেদন rework বা manual review-তে চলে যেতে পারে।

কোন কাগজকে ভিত্তি ধরবেন

শিক্ষা সনদ, জন্ম নিবন্ধন, NID আর পুরোনো পাসপোর্ট, এগুলোর মধ্যে যে বানান সবচেয়ে বেশি জায়গায় হুবহু আছে, সাধারণত সেটিকেই ভিত্তি ধরা যায়। তবে বয়স, জন্মতারিখ বা বাবা-মায়ের নামেও গরমিল থাকলে শুধু নাম ঠিক করালে কাজ শেষ না-ও হতে পারে।

আগে NID, নাকি আগে জন্ম নিবন্ধন

জন্ম নিবন্ধন অনলাইনে যাচাই করা যায় এবং শিক্ষা সনদের সঙ্গে মেলে, এমন হলে NID সংশোধনে সেটি জোরালো প্রমাণ হতে পারে। উল্টোটা হলে, মানে NID ঠিক কিন্তু জন্ম নিবন্ধনে ভুল, আগে BDRIS-এ সংশোধনের আবেদন করতে হতে পারে।

পাসপোর্টের আবেদন জমার আগে শেষবার দেখে নিন

নাম, জন্মতারিখ, বাবা-মায়ের নাম, ঠিকানা আর পুরোনো পাসপোর্ট নম্বর একসঙ্গে মিলিয়ে নিন। জমা দেওয়ার পর ভুল চোখে পড়লে নিজে থেকে নতুন আবেদন করবেন না, আগে অফিসে জিজ্ঞেস করে নিন। এতে duplicate বা rework-এর ঝুঁকি কমে।

আরও কাজে লাগবে

দরকারি সরকারি লিংক

ফি, সময়সীমা আর নিয়ম বদলাতে পারে। আবেদনের আগে সংশ্লিষ্ট সরকারি পোর্টালে শেষবার মিলিয়ে নিন।

সরকারি সাইট

অনেকে খোঁজেন