জাতীয় পরিচয়পত্র

স্মার্ট NID কার্ড স্ট্যাটাস চেক: অনলাইনে ও SMS-এ

নাগরিক সেবা সম্পাদনা দলপড়তে ২ মিনিট

হালনাগাদ: ১৬ অক্টোবর ২০২৬NID হেল্পলাইন ১০৫services.nidw.gov.bd

সংক্ষেপে

স্মার্ট কার্ড তৈরি হয়েছে কি না দেখতে নির্বাচন কমিশনের NID পোর্টালে আপনার NID নম্বর আর জন্মতারিখ দিন। ইন্টারনেট না থাকলে যেকোনো মোবাইল থেকে SC <space> NID <space> NID Number লিখে ১০৫ নম্বরে পাঠান। কার্ড তৈরি হয়ে গেলে কোথা থেকে নেবেন আর বক্স নম্বর কত, অনলাইন বা এসএমএস দুই জায়গাতেই তা জানিয়ে দেওয়া হয়।

সরাসরি স্ট্যাটাস দেখুন

নির্বাচন কমিশনের স্ট্যাটাস পেজেই কার্ডের বক্স ও কম্পার্টমেন্ট নম্বর দেখা যায়।

স্ট্যাটাস পেজ খুলুন
এই লেখায়
  1. অনলাইনে যেভাবে দেখবেন
  2. ইন্টারনেট ছাড়া, এসএমএস (SMS) পাঠিয়ে
  3. কোন উত্তরের মানে কী
  4. কার্ড আনতে গেলে যা নিয়ে যাবেন
  5. অনেকে যা জানতে চান

১. অনলাইনে যেভাবে দেখবেন

নির্বাচন কমিশনের পোর্টালে স্মার্ট কার্ডের জন্য আলাদা একটি পেজ আছে। সেখানে লগইন করতে হয় না, NID নম্বর দিলেই কার্ডের খোঁজ মেলে। কাজটা তিন ধাপের:

  • ১
    স্ট্যাটাস পেজটি খুলুন ফোন বা কম্পিউটারের ব্রাউজারে নির্বাচন কমিশনের স্মার্ট কার্ড বিতরণের card-status পেজটি খুলুন।
  • ২
    NID নম্বর ও জন্মতারিখ দিন ঘরে আপনার 'জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর' লিখুন, না থাকলে 'ফরম নম্বর' (স্লিপ নম্বর)। তারপর জন্মতারিখের দিন, মাস আর বছর বেছে দিন।
  • ৩
    ক্যাপচা লিখে সাবমিট স্ক্রিনে আঁকাবাঁকা যে অক্ষরগুলো দেখাবে (ক্যাপচা কোড), হুবহু সেগুলো বক্সে লিখে 'সাবমিট' চাপুন।

২. ইন্টারনেট ছাড়া, এসএমএস (SMS) পাঠিয়ে

হাতে স্মার্টফোন বা ইন্টারনেট না থাকলে সাধারণ বাটন ফোন থেকে একটি এসএমএস পাঠিয়েই স্ট্যাটাস জানা যায়:

যেভাবে লিখবেন

SC [স্পেস] NID [স্পেস] আপনার NID নম্বর

যেমন: SC NID 1234567890 লিখে পাঠান ১০৫ নম্বরে। (চার্জ প্রযোজ্য নয়।)

নতুন ভোটার হয়ে থাকলে এবং NID নম্বর এখনো হাতে না পেলে, স্লিপ বা ফরম নম্বর দিয়ে এভাবে লিখুন:

SC [স্পেস] F [স্পেস] স্লিপ নম্বর [স্পেস] YYYY-MM-DD (জন্ম তারিখ)
উদাহরণ: SC F 98765432 1998-10-15 লিখে ১০৫ নম্বরে পাঠান।

৩. কোন উত্তরের মানে কী

অনলাইনে হোক বা এসএমএসে, উত্তর সাধারণত এই ৩টির একটি আসে:

  1. Card Produced (কার্ড প্রডিউসড): কার্ড ছাপা হয়ে গেছে, চিপে তথ্যও তোলা হয়েছে। এখন এটি বিতরণের জন্য তৈরি।
  2. Contact Your Upazila Election Office (উপজেলা নির্বাচন অফিসে যোগাযোগ করুন): কার্ড বিতরণের জন্য আপনার এলাকার নির্বাচন অফিসে পৌঁছে গেছে। স্ক্রিনে সাধারণত একটি Box Number আর Comp No (কম্পার্টমেন্ট নম্বর) থাকে। নম্বর দুটি কাগজে লিখে রাখুন।
  3. No Data Found / Under Process (কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি): কার্ড এখনো ছাপার তালিকায় ওঠেনি, অথবা ছাপার কাজ চলছে। কয়েক দিন পর আবার দেখুন।

৪. কার্ড আনতে গেলে যা নিয়ে যাবেন

কার্ড আনতে নিজেকেই যেতে হবে, আপনার ভোটার এলাকার নির্ধারিত বুথে বা উপজেলা নির্বাচন অফিসে। সঙ্গে এগুলো নিতে ভুলবেন না:

বুথে যাওয়ার আগে সঙ্গে নিন:

নিজেকেই কেন যেতে হবে

কার্ড দেওয়ার সময় আপনার চোখের আইরিশ (Iris) স্ক্যান আর ১০ আঙুলের ছাপ আবার নেওয়া হয়। তাই যাঁর কার্ড, তাঁকেই সশরীরে উপস্থিত থাকতে হবে। অন্য কেউ গিয়ে কার্ড তুলে আনতে পারবেন না।

৫. অনেকে যা জানতে চান

স্মার্ট কার্ড কি ডাকে বা কুরিয়ারে বাড়িতে পাঠানো হয়?
না, নির্বাচন কমিশন ডাকে বা কুরিয়ারে কার্ড পাঠায় না। আঙুল ও চোখের ছাপ মিলিয়ে তবেই কার্ড দেওয়া হয়, তাই নির্ধারিত বুথে বা উপজেলা নির্বাচন অফিসে নিজে গিয়ে কার্ড নিতে হবে।
পুরোনো কার্ড হারিয়ে গেছে, স্মার্ট কার্ড পেতে কত ফি লাগবে?
নতুন ভোটার বা প্রথমবারের সাধারণ বিতরণে স্মার্ট কার্ডের জন্য কোনো টাকা লাগে না। তবে পুরোনো লেমিনেট কার্ড হারিয়ে থাকলে হারানো NID রি-ইস্যুর সরকারি ফি দিতে হবে। নির্বাচন কমিশনের ২০২৬ সালের ৩০ জুলাইয়ের চিঠি অনুযায়ী প্রথমবার সাধারণ আবেদনে ১১৫ টাকা আর জরুরিতে ৩৪৫ টাকা (১৫ শতাংশ ভ্যাটসহ), দ্বিতীয়বার বা তার পরে ফি বাড়ে। ফি দেবেন ই-চালান বা বিকাশ/রকেটে, তারপর চালানের রসিদ নিয়ে নির্বাচন অফিসে গিয়ে স্মার্ট কার্ডের আবেদন করবেন। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর থেকে হারানো কার্ডের জন্য GD লাগে না। আবেদনের আগে NID পোর্টালে সর্বশেষ ফি একবার দেখে নিন।
স্মার্ট কার্ডের তথ্য সংশোধনের পর কি নতুন কার্ড পাওয়া যায়?
হ্যাঁ। সংশোধন শেষ হলে ভুল তথ্যের পুরোনো স্মার্ট কার্ডটি নির্বাচন অফিসে জমা দিতে হয়, সঙ্গে সংশোধিত কার্ড ডাউনলোডের ফিও দিতে হয়। এরপর নির্ধারিত প্রক্রিয়া মেনে নতুন স্মার্ট কার্ড দেওয়া হয়।

এরপর পড়তে পারেন

জেনে রাখুন: লেখাটি সাধারণ মানুষের সুবিধার জন্য স্বাধীনভাবে লেখা। নাগরিক সেবা নির্বাচন কমিশনের অংশ নয়, তাদের সঙ্গে যুক্তও নয়। স্মার্ট কার্ড কবে ছাপা হবে, কোথায় কীভাবে বিতরণ হবে, সে সিদ্ধান্ত আইন অনুযায়ী নির্বাচন কমিশনের মাঠ পর্যায় ও কেন্দ্রীয় শাখা নেয়।

সরকারি সাইট

অনেকে খোঁজেন