
সংক্ষেপে
আবেদনের আগে হাতের কাগজগুলো পাশাপাশি রেখে মিলিয়ে নিন: শিক্ষা সনদ, বাবা-মায়ের NID, টিকা কার্ড, হাসপাতালের কাগজ বা পুরোনো সনদ। যে তথ্যের পক্ষে সবচেয়ে মজবুত প্রমাণ আছে, আবেদনে সেটাই লিখুন।
এই লেখায়
নিজের নামের বানানে ভুল থাকলে
বাংলা আর ইংরেজি বানানে গরমিল থাকলে আগে দেখুন শিক্ষা সনদ, NID বা পাসপোর্টে নামটা কীভাবে লেখা। মুখে যেভাবে উচ্চারণ করেন সেভাবে নয়, কাগজে যে বানান আছে সেটাই আবেদনে দিন।
বাবা-মায়ের নাম ঠিক করতে যা কাজে আসে
বাবা-মায়ের NID, জন্ম নিবন্ধন, পাসপোর্ট বা অন্য সরকারি কাগজে নামের বানান এক থাকলে আবেদন জোরালো হয়। কোথাও নামটা সংক্ষেপে বা ডাকনামে লেখা থাকলে পুরো নামের একটা প্রমাণ সঙ্গে রাখুন।
জন্ম তারিখ বদলাতে চাইলে সাবধান
তারিখের ফারাক বেশি হলে অফিস বাড়তি প্রমাণ চাইতে পারে। তখন হাসপাতালের সনদ, টিকা কার্ড, স্কুলের রেকর্ড বা শিক্ষা সনদ কাজে আসে। মনে রাখবেন, জন্ম নিবন্ধনে তারিখ বদলালে তার প্রভাব NID আর পাসপোর্টেও পড়তে পারে।
জমা দেওয়ার আগে স্ক্যান কপি দেখে নিন
নাম, নম্বর, সিল, সই আর তারিখ, সবকিছু যেন পরিষ্কার পড়া যায়। ঝাপসা ছবি বা পাতার কোনা কেটে গেলে আবেদন দুর্বল হয়ে পড়ে। মোবাইলে তুললে ভালো আলোয়, ফোকাস ঠিক করে ছবি নিন।
আরও পড়ুন
দরকারি সরকারি লিংক
ফি, সময়সীমা আর নিয়ম বদলাতে পারে। আবেদনের আগে সংশ্লিষ্ট সরকারি পোর্টালে শেষবার মিলিয়ে নিন।